কিন্ডারগার্টেন
প্রতিকী ছবি

‘করোনায় প্রাথমিক শিক্ষায় চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বন্ধের কোনো পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। বরং এ পরীক্ষা আরও যুগোপযোগী করতে একটি বোর্ড গঠনের চিন্তাভাবনা চলছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে ও সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা গেলে শিক্ষাবর্ষের ব্যাপ্তি আর না বাড়িয়ে ডিসেম্বরে লেখাপড়া শেষ করা হবে। আর প্রয়োজন হলে চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়িয়ে এবং পরের শিক্ষাবর্ষ কমিয়ে আনার পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষাবর্ষ আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটা নির্ভর করবে করোনা পরিস্থিতির ওপর। তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় খোলার পর কতটুকু সিলেবাসের ওপর পরীক্ষা নেয়া হবে সেই পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে (নেপ) সংশোধিত সিলেবাস তৈরির কাজ দেয়া হয়েছে। স্কুল খোলার পর কতগুলো ক্লাস নেয়ার সুযোগ থাকবে, এর ওপর ভিত্তি করে সংশোধিত সিলেবাস তৈরি করা হবে। এ ক্ষেত্রে পরের শ্রেণির সঙ্গে যেসব পাঠ বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধিত সিলেবাস তৈরির নির্দেশনা আমরা দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিভিত্তিক মৌলিক জ্ঞান ও সক্ষমতা অর্জনের বিষয়টির সঙ্গে আপস করা হবে না।

সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, করোনাকালে শিক্ষায় বৈষম্য বাড়ছে। টেলিভিশনের ক্লাস সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না। ক্লাসগুলো দিন দিন আকর্ষণ হারাচ্ছে। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো সত্যিকার অর্থে বিপদে আছে। তাদের জন্য বিনাসুদে ঋণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বন্যাদুর্গত এলাকার শিশুদের নিয়ে বিশেষভাবে ভাবতে হবে। ইন্টারনেটের ওপর থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট, ট্যাক্স প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here